প্রতিটা বেটেই পয়েন্ট জমে, প্রতিটা লেভেলেই সুবিধা বাড়ে। ব্রোঞ্জ থেকে প্লাটিনাম — Hi Bajje ভিআইপি ক্লাবে আপনার আনুগত্যের মূল্য দেওয়া হয়।
চারটি স্তরে সাজানো Hi Bajje ভিআইপি প্রোগ্রাম। যত বেশি খেলবেন, তত বেশি সুবিধা পাবেন।
শুধু ক্যাশব্যাক নয়, Hi Bajje ভিআইপি মানে একটা সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা।
এক নজরে দেখুন কোন তিয়ারে কী কী পাচ্ছেন।
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১২% | ১৫% |
| উইথড্র স্পিড | স্ট্যান্ডার্ড | ১ ঘণ্টা | তাৎক্ষণিক | তাৎক্ষণিক |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | — | — | ✓ | সিনিয়র |
| জন্মদিন বোনাস | ✓ | ✓ | ✓ (বড়) | ✓ (কাস্টম) |
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | — | ✓ | ✓ | ✓ |
| মাসিক রিলোড বোনাস | — | ✓ | ✓ | ✓ |
| কাস্টম অফার | — | — | — | ✓ |
| উইথড্র লিমিট | ৳৫০,০০০/দিন | ৳১,০০,০০০/দিন | ৳৫,০০,০০০/দিন | আনলিমিটেড |
নিবন্ধন করুন এবং KYC যাচাই সম্পন্ন করুন। পুরো প্রক্রিয়াটা সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়।
বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকে ডিপোজিট করুন। প্রতিটা বেটেই ভিআইপি পয়েন্ট জমতে শুরু করে — আলাদা করে কিছু করতে হয় না।
মাসিক ডিপোজিট ও বেটের পরিমাণ অনুযায়ী তিয়ার আপগ্রেড হয়। প্রোফাইল পেজে নিজের অগ্রগতি দেখতে পাবেন।
তিয়ার আপগ্রেড হলেই ক্যাশব্যাক ও বাড়তি সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। গোল্ড ও প্লাটিনামে ম্যানেজার নিজেই যোগাযোগ করেন।
আপনি এখন গোল্ড তিয়ারের দিকে এগোচ্ছেন
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে লয়্যালটি প্রোগ্রাম অনেক থাকে, কিন্তু বেশিরভাগই কাগজে-কলমের বিষয়। Hi Bajje-র ভিআইপি প্রোগ্রামে এসে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বলছেন পার্থক্যটা তারা সত্যিই অনুভব করেন। কারণটা সহজ — এখানে সুবিধাগুলো স্বয়ংক্রিয়, আবেদন করতে হয় না, এবং ক্যাশব্যাক সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
রংপুরের করিম ভাই Hi Bajje ভিআইপি গোল্ড তিয়ারে আছেন গত চার মাস। তার কথায়, "আগে যখন একটা খারাপ সপ্তাহ যেত, মনে হতো সব গেল। এখন জানি সপ্তাহ শেষে কিছুটা ক্যাশব্যাক আসবেই। সেটাই মনের জোর।" এই ছোট কিন্তু নিশ্চিত ক্যাশব্যাকের বিষয়টাই Hi Bajje ভিআইপিকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
"Hi Bajje-র ভিআইপি ম্যানেজার একদিন নিজে থেকে জানালেন একটা বিশেষ টুর্নামেন্টের কথা। আমি অংশ নিলাম এবং ভালো পুরস্কার পেলাম। সাধারণ অ্যাকাউন্টে থাকলে এই খবরটাই পেতাম না।"
— মেহেদী হাসান, চট্টগ্রাম (ভিআইপি গোল্ড সদস্য)Hi Bajje-র ক্যাশব্যাক সিস্টেমটা বেশ সহজ। প্রতি সোমবার আগের সপ্তাহের নেট লোকসানের উপর নির্ধারিত হারে ক্যাশব্যাক হিসাব হয়। যদি আপনি ব্রোঞ্জ তিয়ারে থাকেন এবং সপ্তাহে নেট লোকসান ৳২,০০০ হয়, তাহলে ৫% অর্থাৎ ৳১০০ সরাসরি আপনার ওয়ালেটে জমা হবে। এই ক্যাশব্যাক রিয়েল ব্যালেন্স — ওয়েজারিং শর্ত ছাড়াই উইথড্র করা যায়।
গোল্ড তিয়ারে একই পরিস্থিতিতে ৳২৪০ পাবেন। প্লাটিনামে ৳৩০০। ছোট সংখ্যা মনে হলেও মাসের পর মাস এটা জমলে কিন্তু উল্লেখযোগ্য হয়ে যায়।
গোল্ড ও প্লাটিনাম সদস্যরা Hi Bajje-র একজন নির্দিষ্ট ম্যানেজার পান। এই ম্যানেজারের কাজ হলো আপনার অ্যাকাউন্টের যেকোনো সমস্যায় সরাসরি সাহায্য করা। নতুন অফার আসলে আপনাকে জানানো, বিশেষ ইভেন্টে ইনভাইট করা এবং উইথড্র বা বোনাস নিয়ে কোনো জটিলতা হলে দ্রুত সমাধান করা।
সাধারণ সাপোর্টের মতো টিকেট খুলে অপেক্ষা না করে সরাসরি চ্যাটে কথা বলা যায়। ঢাকার সুমাইয়া বেগম বলেন, "একবার উইথড্র আটকে গিয়েছিল। ম্যানেজারকে মেসেজ করতেই ৩০ মিনিটের মধ্যে ঠিক হয়ে গেল।"
অনেকে মনে করেন ভিআইপি তিয়ার ধরে রাখা বোধহয় কঠিন। আসলে Hi Bajje-র সিস্টেম বেশ নমনীয়। মাসিক ডিপোজিটের শর্তটা পূরণ করলেই তিয়ার বজায় থাকে। আর যদি কোনো কারণে এক মাস শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে একলাফে সব সুবিধা যায় না — একটা গ্রেস পিরিয়ড আছে।
ব্রোঞ্জ থেকে সিলভারে যেতে মাসে মাত্র ৳৫,০০০ ডিপোজিট করতে হয়। যারা নিয়মিত Hi Bajje-তে খেলেন তাদের জন্য এটা খুব বড় বাধা না। আর একবার সিলভারে উঠলে ক্যাশব্যাক ও বোনাস মিলিয়ে কার্যকর খরচ অনেকটা কমে যায়।
প্লাটিনাম সদস্যরা Hi Bajje-র সবচেয়ে বিশেষ অভিজ্ঞতা পান। ১৫% সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাকের পাশাপাশি তারা কাস্টম বোনাস পান যেটা তাদের খেলার ধরন অনুযায়ী তৈরি। যদি কেউ ক্রিকেট বেটিং বেশি করেন, তাহলে তার জন্য ক্রিকেটকেন্দ্রিক বোনাস অফার হতে পারে। যদি কেউ Aviator বেশি খেলেন, সেই অনুযায়ী কাস্টমাইজড অফার দেওয়া হয়।
এছাড়া প্লাটিনাম সদস্যদের উইথড্র লিমিট কার্যত আনলিমিটেড। বড় পরিমাণ উইথড্রের ক্ষেত্রে ম্যানেজারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করা যায়। এই স্তরে পৌঁছানো কঠিন, কিন্তু যারা পৌঁছান তারা Hi Bajje-র সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হন।
যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে।
Hi Bajje-তে নিবন্ধন করুন, ডিপোজিট করুন এবং প্রথম মাসেই ব্রোঞ্জ ক্যাশব্যাকের সুবিধা নিন। ওপরে উঠতে থাকুন, সুবিধা বাড়তে থাকুক।